আন্তর্জাতিক ফুটবলের বড় মঞ্চে ফাইনালে হেরে যাওয়ার বিষাদ পেছনে ফেলে মাঠে ফিরেছিলেন লিওনেল মেসি। ম্যাচের ৫৩তম মিনিটে যখন তিনি টেকনিক্যাল এরিয়া থেকে মাঠে প্রবেশ করেন, তখন গ্যালারিতে উপস্থিত সমর্থকদের উল্লাস ছড়িয়ে পড়ে চারদিকে। তবে ম্যাচের দৃশ্যপট বদলে দিতে শত চেষ্টা করলেও, নিজের প্রত্যাশিত গোল বা জয় কোনোটাই পাননি তিনি।
আর্জেন্টাইন সহযোদ্ধা রদ্রিগো ডি পল অবশ্য ম্যাচের শুরু থেকেই একাদশে ছিলেন এবং মাঝমাঠে প্রভাব বিস্তারের চেষ্টা করেন। অন্যদিকে, মেসি মাঠে নামার পর দ্বিতীয়ার্ধে গোলের দুটি সম্ভাবনা তৈরি করলেও তা লক্ষ্যভ্রষ্ট হয়। এমনকী ম্যাচের শেষ মুহূর্তে পাওয়া সুযোগটিও কাজে লাগাতে না পারায় জয়সূচক গোল থেকে বঞ্চিত থাকে মিয়ামি।
⚽ গোল রোমাঞ্চ ও নাটకీయতার ম্যাচ চিত্র
- প্রতিকূল আবহাওয়ার কারণে ম্যাচটি নির্দিষ্ট সময়ের চেয়ে প্রায় ৪০ মিনিট দেরিতে শুরু হয়। তবে খেলা শুরু হতেই নিজেদের ধার বজায় রাখেন উরুগুয়ান তারকা লুইস সুয়ারেজ।সুয়ারেজের মাস্টারক্লাস: ম্যাচের ১৬তম মিনিটে ইয়ানিক ব্রাইটের বাড়ানো বল নিয়ন্ত্রণে নেন সুয়ারেজ। প্রতিপক্ষের গোলরক্ষককে পোস্ট ছেড়ে কিছুটা এগিয়ে আসতে দেখে মাঝমাঠের কাছ থেকেই এক অসাধারণ লব শটে বল জালে জড়ান তিনি। এটি চলতি মৌসুমে সুয়ারেজের ১০ম গোল।
- কলম্বাসের প্রত্যাবর্তন: ৩৪তম মিনিটে ইন্টার মিয়ামির জন্য বড় ধাক্কা হয়ে আসে ডিফেন্ডার কাসেমিরোর একটি ভুল। কলম্বাসের হুগো পিকার্ডের ক্রস ক্লিয়ার করতে গিয়ে বল নিজের জালে পাঠালে ১-১ সমতায় ফেরে কলম্বাস।
- ভিএআর নাটকে এগিয়ে যাওয়া: প্রথমার্ধের অতিরিক্ত সময়ে আবারও এগিয়ে যায় মিয়ামি। সুয়ারেজের নিখুঁত ক্রস থেকে দুর্দান্ত হেডে গোল করেন নোয়া অ্যালেন। শুরুতে অফসাইডের কারণে গোলটি বাতিল হলেও পরবর্তীতে ভিডিও সহকারী রেফারি (VAR) প্রযুক্তির মাধ্যমে গোলের বৈধতা দেওয়া হয়। চলতি মৌসুমে এটিই ছিল অ্যালেনের প্রথম গোল।
- শেষ মুহূর্তের ফ্রি-কিক ও সমতা: পিছিয়ে পড়েও হাল ছাড়েনি কলম্বাস ক্রু। ম্যাচের ৮৪তম মিনিটে ব্রাইস মেন্দেজ এক দৃষ্টিনন্দন ফ্রি-কিকে মিয়ামির গোলরক্ষক রোকো রিওস নোভোকে পরাস্ত করে বল জালে পাঠান। ফলে ২-২ সমতায় ম্যাচ শেষ হয়।
📊 পয়েন্ট টেবিলের বর্তমান অবস্থা
দল ম্যাচ পয়েন্ট কনফারেন্স অবস্থান
ন্যাশভিল এসসি - ৪০ শীর্ষ স্থান
ইন্টার মিয়ামি ১৮ ৩৮ দ্বিতীয় স্থান
কলম্বাস ক্রু - ২০ প্লে-অফের লড়াইয়ে শক্ত অবস্থান
